যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ, আটক ১৭
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৫-০৪-২০২৬ ০৬:১৭:০৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৫-০৪-২০২৬ ০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের তেল আবিবসহ বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। এতে অংশ নেন শত শত ইসরায়েলি নাগরিক। শনিবার (০৪ এপ্রিল) এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল।
বিক্ষোভের আগে আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আসে। হাইকোর্ট অফ জাস্টিসের একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে পুলিশকে নির্ধারিত সীমার বাইরে বড় পরিসরে সমাবেশের অনুমতি দিতে বলে।
তবে এ সিদ্ধান্তে আপত্তি জানায় ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। তাদের আশঙ্কা ছিল, ইরান, হিজবুল্লাহ ও হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির মধ্যে বড় জমায়েত নিরাপদ নয়।
এর মধ্যেই তেল আবিবের হাবিমা স্কোয়ারের মূল বিক্ষোভ শুরু হয়। রাত ৯টার কিছু আগে পুলিশ জানায়, আদালত নির্ধারিত ৬০০ জনের সীমা অতিক্রম করেছে উপস্থিতি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সমাবেশটিকে বেআইনি ঘোষণা করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। এসময় ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এর কিছুক্ষণ পরই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তা বাজে। একটি বাসে আটক থাকা ব্যক্তিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়। তবে আটক ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, তাদের একটি অরক্ষিত কক্ষে রাখা হয়েছিল।
এদিকে বিচারকদের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন সেফার্ডিক ইহুদি গোষ্ঠীর প্রধান রাব্বি ডেভিড ইয়োসেফ। তিনি হাইকোর্টকে ‘ইহুদি ধর্মের শত্রু’ বলে আখ্যা দেন।
বিক্ষোভে অংশ নেয়া অনেকেই ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানান। তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত নতুন আইনেরও প্রতিবাদ করা হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ক্ষমতাসীন জোট রাজনৈতিক স্বার্থে যুদ্ধকে ব্যবহার করছে। একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— সরকার দেশের ভেতরের সংকট আড়াল করে যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে।
আরেকটি দল ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ জানায়। তারা কমলা রঙের কয়েদির পোশাক পরে। পাশাপাশি শাসক জোটের মন্ত্রীদের মুখোশ ব্যবহার করে। হাতে ছিল নকল ডলারের নোট। এতে তারা দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রতীকী চিত্র তুলে ধরেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স